নারীদের এইচআইভি’র লক্ষণ

0
0

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
এইচআইভি’র সাধারণ লক্ষণ হল ঠাণ্ডা ও কাশি। আর উপসর্গগুলো পুরুষদের থেকে আলাদা।

নারী ও পুরুষের এইচআইভি সংক্রমণে খানিকটা আলাদা লক্ষণ দেখা দেয়।

চিকিৎসা-বিজ্ঞানের তথ্যানুসারে স্বাস্থ্য-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে নারীদের এইচআইভি’তে আক্রান্ত হওয়ার কয়েকটি লক্ষণ সম্পর্কে এখানে জানানো হল।

লিম্ফ গ্রন্থি ফুলে যাওয়া:
লিম্ফ হল জীবদেহে রক্তের মতো তরল পদার্থ তবে রংহীন বা হালকা হলুদ বর্ণের হয়। বাংলায় বলা হয় লসিকা। গলা ও মাথার পেছন, কুচকি ও বগলে এই লসিকা গ্রন্থি থাকে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অংশ হিসেবে এই গ্রন্থি রোগ প্রতিরোধের কোষ জমা রাখে।

এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত হলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে এই গ্রন্থিগুলো ফোলা শুরু করে।

তবে শুধু এইচআইভি’র জন্যই নয়, লিম্ফ বা লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া হতে পারে যেকোনো রোগসংক্রমণের লক্ষণ।

তাই এরকম কোনো রকমের পরিবর্তন দেখতে পেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে দ্রুত।

পাকস্থলীতে সমস্যা লেগেই থাকলে:
যদি বেশিরভাগ সময়ই বমিভাব বা পেট চেপে ধরা অনুভূতি লেগে থাকে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যাচাই করে দেখুন কোনো জটিল সমস্যা আছে কিনা।

রজঃচক্রের পরিবর্তন:
এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত নারীদের রজঃচক্রে বিপুল পরিবর্তন দেখা দেয়। অনেকের পিরিয়ড হয় না। আবার অনেকের সাধারণের চেয়ে কম বা বেশি হয়ে থাকে।

ফুসকুড়ি:
এইচআইভি’র সাধারণ লক্ষণ হল র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি হওয়া। সারা শরীরে কোথাও লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয় কিনা তা খেয়াল রাখুন। সঙ্গে চুলকানিও হতে পারে আবার নাও হতে পারে। এছাড়া হাত ও পাসহ শরীরের দুএকটা জায়গায় বিভিন্ন রকমের ফুসকুড়ি হতে পারে।

চেষ্টা ছাড়াই ওজন কমা:
পরবর্তী ধাপে, খাবারের চাহিদা হ্রাস পায় এবং পুষ্টির শোষণে ব্যাঘাত ঘটে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওজন কমা শুরু করে।

ঘুম ঘুম ভাব:
ক্লান্ত অনুভব করা বা নির্জীব লাগাটা স্বাভাবিক। কাজের চাপ থাকায় এমনটা হয় এবং এটা ভালো ঘুম হওয়ার জন্য জরুরি। শরীরে ব্যথা থাকার কারণে সব সময় ক্লান্ত লাগা বা ঘুম ঘুম ভাব থাকার কারণ হতে পার শরীর এইচআইভি ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করছে।

জ্বর জ্বর ভাব:
এই রোগের শুরুর পর্যায়ে ঠাণ্ডা-কাশিসহ হালকা জ্বর থাকতে পারে। জ্বর হওয়া মানে হল শরীর নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য চেষ্টা করছে। শরীর তাপ বাড়িয়ে ভাইরাস ধ্বংসের চেষ্টা করে।

সাধারণ ভাইরাসের জন্য শরীরের এই পদ্ধতি কার্যকর হলেও, এইচআইভি’র মতো ভাইরাসের ক্ষেত্রে তা অপ্রতুল।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here