ওজন কমাতে খাদ্যনিয়ন্ত্রণ জরুরি

0
5

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
দেহের বাড়তি ওজন কমাতে ব্যায়ামের চাইতে খাদ্যাভ্যাস বেশি প্রভাব ফেলে।

ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে যারা ব্যায়ামাগারে ভর্তি হওয়ার কথা ভাবছেন তাদের ব্যায়ামের চাইতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিভিন্ন গবেষণা।

সিএনএন’য়ের একটি প্রতিবেদনে এর কারণ হিসেবে জানানো হয়, ভারী ব্যায়ামের কারণে খাওয়ার রুচি বেড়ে যাওয়া পক্ষান্তরে ওজন কমানোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’য়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যারা ধীরে ধীরে ওজন কমান, যেমন- প্রতি সপ্তাহে এক থেকে দুই পাউন্ড করে, তারাই ওজন আবার বেড়ে যাওয়া রোধ করতে সফল হন।

গবেষণা বলে, আমারা যা খাই তা হজম করতে শরীরের মোট ক্যালরির ১০ শতাংশ খরচ হয়। আর শরীরচর্চার মাধ্যমে খরচ হয় ১০ থেকে ৩০ শতাংশ ক্যালরি।

সিএনএন’কে দেওয়া পুষ্টিবিদ লিসা ড্রায়ার সাক্ষাৎকারে বলেনন, “ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে খাদ্যাভ্যাস থেকে আপনি যা বাদ দিয়ে দেন, সেই খাবারই আপনার সকল শরীরচর্চার চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের সব ক্যালরি আসে আপনি যা খান এবং পান করেন তার মাধ্যমে। এর একটি সামান্য অংশ খরচ হয় শরীরচর্চায়।”

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ইনিস্টিটিউট অফ ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেস’য়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা অ্যালেক্সেই ক্রাভিত্জ বলেন, “একজন সাধারণ মানুষ প্রতিদিন শরীরচর্চার মাধ্যমে পাঁচ থেকে ১৫ শতাংশ ক্যালরি ঝরাতে পারেন। ক্রীড়াবিদরাও এদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। মানুষ যে খাবার খায় তার সঙ্গে এর তুলনা করা প্রায় বৃথা, কারণ খাদ্যাভ্যাসই একশ ভাগ ক্যালরি গ্রহণের উৎস।”

ড্রায়ার বলেন, “আমরা বলছিনা যে শরীরচর্চার কোনো মূল্য নেই। শক্তি উৎপাদন করতে, পেশি বাড়াতে, ক্ষীপ্রতা বাড়াতে এবং ডায়বেটিস ও হৃদরোগ থেকে বাঁচতে শরীরচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রিত না হলে কোনো কিছুই কোনো কাজে আসবে না, সবই হবে পণ্ডশ্রম।”

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here