উপজেলা নির্বাচন এবারও ধাপে ধাপে: ইসি সচিব

0
3

অনলাইন ডেস্কঃ
জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে এক দিনে নির্বাচন করার পর উপজেলা নির্বাচনের তোড়জোড়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ চালু হওয়ার পর ১৯৯০ ও ২০০৯ সালে একদিনেই ভোট হয়েছিল।

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন ২০১৪ সালে ছয়টি ধাপে চতুর্থ উপজেলা নির্বাচন করেছিল। ওই বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ছয়টি দিনে প্রায় পাঁচশ উপজেলায় পালাক্রমে ভোটগ্রহণ হয়েছিল।

বর্তমানে দেশের ৪৯২টি উপজেলা পরিষদ রয়েছে। আইন অনুযায়ী, কোনো উপজেলা পরিষদের মেয়াদ পূর্তির আগের ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

গতবার সংসদ নির্বাচনের পরপরই উপজেলা নির্বাচন হয়েছিল। এবারও আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে সংসদ নির্বাচনের পরপরই উপজেলা নির্বাচন হচ্ছে।

ইসি সচিব বলেন, “মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে সারা দেশে পঞ্চম উপজেলা পরিষদের নির্বাচন শুরু হবে।”

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মার্চে নির্বাচন করতে হলে জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকেই তফসিল ঘোষণা করতে হবে।

আগের উপজেলা নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে হলেও আইনটি তার পরে সংশোধন হওয়ায় এবার দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচন হবে। সেই সঙ্গে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারও হবে এই ভোটে।

উপজেলায় দলীয় প্রতীকে প্রথম ভোট হয়েছিল ২০১৭ সালের মার্চে; তখন তিনটি উপজেলায় দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হয়েছিল।

দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলেও বিএনপি পরে নির্দলীয় উপজেলা ভোটে অংশ নিয়েছিল।

প্রথম তিন পর্বে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ীদের মধ্যে সংখ্যায় বিএনপি এগিয়ে ছিল। তবে পরের তিন পর্বে তাদের ছাপিয়ে যায় আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা।

এবার সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলেও তারা ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলেছে।

‘সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল আগামী সপ্তাহে’

৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন শেষ করার পর একাদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ইসি সচিব হেলালুদ্দীন সাংবাদিকদের জানান, আগামী সপ্তাহে সংরক্ষিত নারী আসনে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসন বণ্টন করা হয়। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে এবার আওয়ামী লীগ ৪৩টি, জাতীয় পার্টি ৪টি, বিএনপি ১টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ১টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোটভুক্ত হয়ে ১টি সংরক্ষিত আসন পেতে পারে।

একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আগামী ৩০ জানুয়ারি। কাজ দ্রুত শেষ হলে এ অধিবেশনেই সংরক্ষিত নারী সাংসদরা যোগ দেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here