বুদ্ধ পূর্ণিমায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ

0
4

অনলাইন ডেস্কঃ
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান বুদ্ধ পূর্ণিমাকে ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে পুলিশ। উৎসবটি পালনে সোমবার একগাদা নির্দেশনা দিয়েছে তারা। এছাড়াও বুদ্ধ পূর্ণিমার ঐতিহ্য ফানুস ওড়ানো থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সোমবার ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

সভার বিষয়ে ডিএমপি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুই পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে- মন্দির ও অনুষ্ঠানস্থল কেন্দ্রিক নিরাপত্তা নির্দেশনা ও শোভাযাত্রা কেন্দ্রিক নিরাপত্তা নির্দেশনা।

এ বিষয়ে সভায় ডিএমপি কমিশনার জানান, বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন সকল বৌদ্ধ মন্দির ও তার আশপাশ এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে, বৌদ্ধ মন্দির ও আশপাশ এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, মন্দিরে প্রবেশের ক্ষেত্রে সকল দর্শনার্থীকে ম্যানুয়ালি ও আর্চওয়ে দিয়ে তল্লাশি, মন্দিরের নিরাপত্তার জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ ছাড়াও তাদের আলাদা পোশাক, আর্মড ব্যান্ড বা আইডি কার্ডের ব্যবস্থা করতে হবে।

তার দেয়া নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন দেশে সবধরনের মাদকদ্রব্য, আতশবাজি ও পটকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নিরাপত্তার স্বার্থে ফানুস ওড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়াও নামাজের সময় সকল ধরনের বাদ্যযন্ত্র বাজানো বন্ধ রাখা, সর্বসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য মন্দিরের আশপাশে কোনো ভাসমান দোকান ও হকার বসতে না দেয়া, মন্দির সংশ্লিষ্ট রাস্তায় পর্যাপ্ত ব্যারিকেড ব্যবস্থার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

কমিশনারের নির্দেশনায় আরও উল্লেখ আছে, মন্দিরে সন্দেহভাজন কাউকে প্রবেশের পূর্বেই তার পরিচয় নিশ্চিত হয়ে প্রবেশ করাতে হবে। বড় ব্যাগ, ব্যাক-প্যাক, পোটলা, ধারালো কোনো বস্তু, দাহ্য পদার্থ নিয়ে মন্দির ও অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ থাকবে। অনুষ্ঠানস্থল বোমা ও ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হবে।

শোভাযাত্রা কেন্দ্রিক নিরাপত্তা নির্দেশনাঃ

শোভাযাত্রায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিম্নলিখিত নির্দেশনা দিচ্ছে ডিএমপি।

১. শোভাযাত্রা শুরুর পূর্বে সকলকে তল্লাশি করে শোভাযাত্রায় প্রবেশ করানো হবে।
২. শোভাযাত্রা শুরুর পর পথিমধ্যে কাউকে নতুন করে শোভাযাত্রায় ঢুকতে দেয়া হবে না।
৩. পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে শোভাযাত্রার চারপাশ বেষ্টনী দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
৪. শোভাযাত্রায় কোনো ধরনের ব্যাগ ও ব্যাক-প্যাক, দাহ্য পদার্থ, ধারালো বস্তু, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।

সূত্রঃ জাগোনিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here