রামু চৌমুহনীতে উচ্ছেদ অভিযান: ইউএনওকে সর্বস্তরের মানুষের সাধুবাদ

0
10

খালেদ হোসেন টাপু,রামুঃ
কক্সবাজারের রামু উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে চৌমুহনী ষ্টেশন। দীর্ঘ দিন থেকে এই ষ্টেশনের মেইন রোডের পাশে সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন ভাসমান দোকান । যার কারণে প্রতিদিন এই চৌমুহনী ষ্টেশনে যানজটসহ নানা ভোগান্তিতে ছিলেন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীসহ জনসাধারণ।
সোমবার (২৪ জুন) নবাগত রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় চাকমা’র নেতৃত্বে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। এ উচ্ছেদ অভিযানে চৌমুহনীর গোল চত্বর ও মাছ বাজার থেকে প্রায় শতাধিক ঝুপড়ি, ভাসমান দোকান এস্কেভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ফুটপাত থেকে ময়লার স্তুপ পিকআপ যোগে সরিয়ে নেওয়া হয়। অভিযানচলাকালে নবাগত রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় চাকমা হ্যান্ড মাইক দিয়ে দখল মুক্ত করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি চাই থোয়াইহুলা চৌধুরী, প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ফরহাদ হোসেনসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা, বনবিভাগ, পুলিশ, সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন পর উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করায় নবাগত রামু উপজেলা নিার্বহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় চাকমাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রামুর সুশীল সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণ ।

নবাগত রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রণয় চাকমা জানান, কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। আইনের চোখে সবাই সমান। সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে। কোন অবৈধ দখল বা কর্মকান্ড চলতে দেয়া যাবে না। চৌমুহনীর সৌন্দর্য রক্ষায় যানজট নিরসন, পানি নিস্কাশন ও ময়লা আবর্জনা মুক্ত করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। কেউ যাতে দখল না করতে পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি আরো জানান, চৌমুহনী বাসস্ট্যান্ডে যত্রতত্র রামু লাইন, কক্স লাইন, মাইক্রোবাস,জিপ, সিএনজি,টেম্পো, টমটম ও রিক্সা পাকির্ং বা রাখা যাবেনা। নির্ধারিত স্থানে গাড়ি গুলো রাখতে হবে। জনগনের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এমন কর্মকান্ড কেউ করতে পারবেনা। তিনি এবিষয়ে গাড়ির মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেছেন বলেও জানান।

এদিকে জনসাধারণের দাবি অবৈধ দখল চিরতরে বন্ধ করা হোক। চৌমুহনী ষ্টেশন ও বাইপাসসহ মেইন রোড়ের দু’পাশে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কেটের সামনে সরকারি জায়গায় সিঁড়ি নির্মাণসহ অবৈধ বিল বোড, বিভিন্ন দোকানের মালামাল, ইট,কংকর, বিদ্যুৎতের খুঁটি ও ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ চৌমহনীর সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনার আহবান জানান।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here